আমরা প্রতিনিয়ত মুখমণ্ডলের যত্ন নিতেই ব্যস্ত হয়ে থাকি কিন্তু হাত ও পায়ের প্রতি যত্নহীন হয়ে যাই। আমাদের হাত ও পায়ের পরিচ্ছন্নতার উপর ভিত্তি করে মানুষ আমাদের ব্যক্তিত্ব মূল্যায়ন করে থাকে।
হাত এবং পায়ের সাহায্যেই আমরা প্রতিনিয়ত সর্বাধিক কাজকর্ম করে থাকি যার ফলে আমাদের সর্বাধিক যত্নশীল এদের প্রতি হওয়া উচিৎ
হাতের নখের যত্ন -
১. খালি হাতে রান্নাবান্না, শাঁকসবজি কাটা, হাঁড়িপাতিল মাজলে নখের উপর অনেক চাপ পরে ও প্রচুর ময়লা জমে যায়। এছাড়া ডিটারজেন্ট আমাদের নখের ক্ষতি করে থাকে। সুতরাং, এসব কাজের সময় হাতে গ্লাভস পরুন।
২. অতিরিক্ত মাত্রায় নেইল পলিশ ও নেইল পলিশ রিমুভার নখের ভঙ্গুরতা বাড়িয়ে দেয়। তাই নেইল পলিশ ব্যবহারের পূর্বে বেইজকোট লাগিয়ে নিন। যতটুকু সম্ভব এগুলো কম মাত্রায় ব্যবহার করা।
৩. দাঁত দিয়ে নখ কাটলে নখের স্বাভাবিক বৃদ্ধি হ্রাস পায় ও ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়। তাই আজই এ অভ্যাস পরিহার করুন।
৪. যাদের নখের ভঙ্গুরতার সমস্যা আছে তারা নখে রসুন ঘষতে পারেন। এতে ভঙ্গুরতা কমে যাবে। আপনার প্রতিদিনের খাবার তালিকায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই যুক্ত খাবার রাখুন।
পায়ের নখের যত্ন -
১. যখন পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের নখটিতে ছত্রাকের আবির্ভাব ঘটে বা ফাঙ্গাস পরে তখন তা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক মোটা হয়ে যায় এবং হলুদ বা বাদামী বর্ণের হয়ে যায়। একে অনকোমাইকোসিস বলে। এই অবস্থায় একটি পাত্রে পরিমাণমত পানি নিয়ে তাতে এক কাপ ভিনেগার মিশান। এরপর ১৫-২০ মিনিট পায়ের নখগুলো ভিজিয়ে রাখুন। সপ্তাহে ৫ বার এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে ছত্রাক পুরোপুরি দূর হয়ে যাবে।
২. পায়ের নখে হাতের নখের তুলনায় বেশি ময়লা জমে। সপ্তাহে অন্তত দুইদিন হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে পায়ের নখ ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রেখে ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করুন।
৩. পায়ের নখ যথাসময়ে কেটে ফেলুন।
বি দ্রঃ আপনি চাইলে আমাদের কোন টিপস ব্যাবহারের পূর্বে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিতে পারেন।

No comments:
Post a Comment